রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতিকে কেন্দ্র করে ফিলাডেলফিয়া সম্মেলনে দুটি মত ছিল। একদল জনগণের দ্বারা প্রত্যক্ষভাবে এবং আরেক দল কংগ্রেস কর্তৃক পরোক্ষভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগ্রহী ছিলেন। চুড়ান্ত বিচারে একটি নির্বাচক সংস্থার দ্বারা বিশেষ পদ্ধতিতে পরোক্ষভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। মার্কিন সংবিধানের ২ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন পদ্ধতির উল্লেখ আছে। মার্কিন নির্বাচন পদ্ধতি কিছুটা জটিল। কারণ প্রত্যেক অঙ্গরাজ্যই স্বতন্ত্র নিয়ম অনুসারে ভোটার তালিকা করা থেকে শুরু করে প্রার্থী বাছাই ও মনোনয়ন, ভোট গ্রহণ, ভোট গণনা, ফলাফল সার্টিফাই করা ও ঘোষণা দেয়া ইত্যাদি করে থাকে।
রাষ্ট্রপতির যোগ্যতা
মার্কিন সংবিধানের ২ নং অনুচ্ছেদ, ধারা ১, উপধারা ৫ এ রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য তিনটি যোগ্যতা নির্ধারণ করেছে। তা হলো:
(১) জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিক: রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী স্বাভাবিক জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিক হতে হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ‘স্বাভাবিক জন্মসূত্রে নাগরিক’ শব্দ ব্যবহার করেছে, তবে এক সংজ্ঞায়িত করেনি। এর যথাযথ অর্থ সম্পর্কে সময়ের সাথে বিভিন্ন মতামত দেওয়া হয়েছে। অনেক এই মত দেন যে, যারা মার্কিন নাগরিকত্বের জন্য জন্মগ্রহণের সময় আইনগত প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে, জন্মের স্থান নির্বিশেষে তারাও স্বাভাবিক জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিক।
স্বাভাবিক বংশোদ্ভূত-নাগরিকের ধারাটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সুপ্রিম কোর্টের কয়েকটি সিদ্ধান্তে এবং এ ধরণের মামলা মোকাবেলাকারী কয়েকটি নিম্ন আদালত উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সুপ্রিম কোর্ট কখনই কোনও নির্দিষ্ট রাষ্ট্রপতি বা ভাইস-এর প্রশ্নকে সরাসরি সম্বোধন করেনি। অধিকন্তু, কিছু বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দিয়েছেন যে স্বাভাবিক-বংশোদ্ভূত-নাগরিক ধারাটির যথাযথ অর্থ আদালত কখনই সিদ্ধান্ত নিতে পারে না, কারণ শেষ পর্যন্ত এটি একটি বিচার বর্হিভূত রাজনৈতিক প্রশ্ন যা সম্পর্কে কেবলমাত্র সিদ্ধান্ত নিতে পারে কংগ্রেস। প্রথম নয় জন রাষ্ট্রপতি ছিলেন ১৭৮৯ সালে সংবিধান গ্রহণের সময় নাগরিক, এবং প্যারিস চুক্তি দ্বারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অর্পিত অঞ্চলগুলির মধ্যেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন। রাষ্ট্রপতি হওয়া ৪৪ জন ব্যক্তির মধ্যে সাত জনই রয়েছেন, যাদের কমপক্ষে একজন পিতা বা মাতা ছিলেন যারা আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে জন্মগ্রহণ করেননি।
(২) বয়স: রাষ্ট্রপতি প্রার্থীর কমপক্ষে ৩৫ বছর বয়স হতে হবে এবং
(৩) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস: রাষ্ট্রপতি পদের প্রার্থীকে অন্ততঃ ১৪ বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করতে হবে।
উপরোক্ত যোগ্যতা পূরণকারী ব্যক্তি, নিম্নলিখিত কারণে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ থেকে অযোগ্য ঘোষিত হবেন:
(১) মার্কিন সংবিধানের বাইশতম সংশোধনীর আওতায় কোনও ব্যক্তি দুইবারের বেশি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারবেন না। সংশোধনীতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি কোনও যোগ্য ব্যক্তি দু'বছরের বেশি মেয়াদে রাষ্ট্রপতি বা ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, তবে তিনি কেবল একবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারবেন।
(২) মার্কিন সংবিধানের ১ নং অনুচ্ছেদ, ধারা ৩, উপধারা ৭ এর অধীনে, অভিশংসনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরে, সিনেটের দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের রাষ্ট্রপতির সহ ফেডারেল পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার অযোগ্য ঘোষণা করতে পারবে।
(৩) মার্কিন সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর ৩ ধারার অধীনে যে ব্যক্তি সংবিধান সমর্থন করার শপথ গ্রহণ করেছিল এবং পরবর্তীকালে আমেরিকার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিল, সেই ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি হতে পারবে না। তবে, এই অযোগ্যতা কংগ্রেসের প্রতিটি কক্ষের দুই তৃতীয়াংশ ভোট দ্বারা রহিত করা যেতে পারে।
নির্বাচনের দিন: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি চার বছর অন্তর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১৮৪৫ সাল থেকে নভেম্বর মাসের প্রথম সোমবারের পর প্রথম মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটের দিন নির্দিষ্ট করা হয়। ওই নিয়ম চালুর সময়টাতে যুক্তরাষ্ট্র ছিল কৃষিপ্রধান দেশ। সে সময় নভেম্বর মাস পড়তে পড়তে যুক্তরাষ্ট্রে ফসল কাটা শেষ হয়ে যেত। তাই ডিসেম্বরে প্রচণ্ড শীত পড়ার আগে নভেম্বরে ভোটের উপযুক্ত সময় হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। ঘোড়ায় টানা গাড়িতে করে কাছের ভোটকেন্দ্রে যেতে অনেক সময় লেগে যেত কৃষকদের। শনিবার ছিল ফসলের মাঠে কাজের দিন। ধর্মকর্মের কারণে রবিবারও দূরে যাওয়া যেত না। আর বুধবার ছিল বাজারের দিন। মাঝখানে বাকি রইল মঙ্গলবার। এ কারণেই মঙ্গলবারকে ভোটের দিন হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। নির্বাচনটি কয়েকটি ধাপে অনুুষ্ঠিত হয় নিম্নে তা বর্ণনা করা হলো:
১. ককাস ও প্রাইমারি: দলীয় মনোনয়ন পেতে প্রত্যেক প্রার্থীকে দীর্ঘ প্রাথমিক বাছাইপ্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয় যা ‘প্রাইমারি’ ও ‘ককাস’ নামে পরিচিত। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্রেটিক ও রিপাবলিকান সমর্থকেরা তাদের দলীয় প্রেসিডেন্ট প্রার্থী বাছাই করেন। ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া ককাসে ভোটের মাধ্যমে শুরু হয় নির্বাচনের প্রাথমিক প্রক্রিয়া। এর পরই হয় নিউ হ্যাম্পশায়ারে প্রাইমারি নির্বাচন। প্রাইমারিতে গোপন ব্যালটে দলীয় সমর্থকরা নিজ পছন্দের প্রার্থীকে বাছাই করে। প্রাইমারিতে বিজয়ী প্রার্থী নিজ দলের ওই রাজ্যের প্রতিনিধিদের জাতীয় সম্মেলনে তার পক্ষে ভোট দিতে নিয়ে যান। অন্যদিকে ককাস হচ্ছে দলের নিবন্ধিত ভোটার ও কর্মীদের সভা। সভায় প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী ইস্যু নিয়ে আলাপ-আলোচনা ও শেষে ভোটের মাধ্যমে একজন প্রার্থী নির্বাচন করেন। কাউন্টি পর্যায়ের সম্মেলনে ওই প্রার্থীকে সমর্থন দিতে প্রতিনিধিও নির্বাচন করা হয়। কাউন্টি সম্মেলনে অঙ্গরাজ্যের সম্মেলনের জন্য প্রতিনিধি নির্বাচন করা হয়। আর অঙ্গরাজ্যের সম্মেলনে নির্বাচিত হন জাতীয় সম্মেলনের প্রতিনিধি।
২. জাতীয় সম্মেলন: জাতীয় সম্মেলনে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান পার্টির চূড়ান্তভাবে প্রার্থী মনোনয়ন দেয়া হয়। গ্রীষ্মকালের শেষ ভাগে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে রাজ্যগুলোতে ভোটের মাধ্যমে দলীয় প্রতিনিধি নির্বাচিত করে জাতীয় সম্মেলনে পাঠানো হয়। দলীয় প্রতিনিধিরা সেখানে ভোট দিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচন করেন।
৩. রানিংমেট ঘোষণা: জাতীয় সম্মেলনের পর নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীরা তাদের রানিংমেট হিসেবে উপ রাষ্ট্রপতিদের নাম ঘোষণা করেন। ২০১৬ সালের নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প মাইক পেন্সকে এবং ডেমোক্রেট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন টিম কেইনকে তার রানিং মেট হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন।
৪. ইলেক্টোরাল কলেজ: যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন ইলেক্টোরাল কলেজের ভোটে। প্রত্যেক অঙ্গরাজ্যের ১৮ বছরের ও তার বেশী বয়সের প্রত্যেক নাগরিক নির্বাচক সংস্থার প্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট দেয়। ইলেক্টরের সংখ্যা মার্কিন পার্লামেন্ট কংগ্রেসে থাকা প্রতিনিধির অনুপাতে নির্ধারিত হয়। প্রতিনিধি সভায় অঙ্গরাজ্যের প্রেরিত প্রত্যেক প্রতিনিধির বিপরীতে একজন করে ইলেক্টর মনোনীত হন। অর্থাৎ প্রতিনিধি সভার ৪৩৫ সদস্যের অনুপাতে ৪৩৫ জন ইলেক্টর। আবার প্রত্যেক সিনেট সদস্যের বিপরীতেও একজন করে ইলেক্টর মনোনীত হয়ে থাকেন। ৫০ রাজ্যে ১০০ সিনেট সদস্যের অনুপাতে ইলেক্টর ১০০। এছাড়া মার্কিন সংবিধানের ২৩তম সংশোধনী ধারায় বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি রাজ্য ছাড়াও ডিস্ট্রিক্ট অব কলম্বিয়ার জন্য অতিরিক্ত ৩ জন ইলেক্টর নিয়োগ করা যাবে। ইলেক্টোরাল কলেজের সদস্য দাঁড়ায় (৪৩৫+১০০+৩)=৫৩৮ জন। তবে ইলেক্টোরাল কলেজ কখনোই প্রতিনিধি সভা বা সিনেট সদস্য নয়।
প্রতিটি রাজ্যে ইলেক্টোরাল কলেজের সংখ্যা নির্ধারিত হয় জনসংখ্যার অনুপাত দ্বারা। যেমন, জনবহুল ক্যালিফোর্নিয়ার রয়েছে ৫৫ জন ইলেক্টর, আবার জনবিরল মন্টানার রয়েছে মাত্র ৩ জন ইলেক্টর। কোনো রাজ্যে জনসংখ্যা একেবারে কম হলেও দু’জন সিনেট ও একজন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ সদস্যের অনুপাতে কমপক্ষে ৩ জন ইলেক্টর থাকেন।
মেইন ও নেব্রাস্কা ছাড়া অন্য ৪৮টি রাজ্যে যে দল বেশি ভোট পাবে সে রাজ্যের সব ইলেক্টোরাল ভোট সেই দলের বলে গণ্য হবে। ধরা যাক, ক্যালিফোর্নিয়ায় ৯৯ শতাংশ ভোটার ডেমোক্রেটিক প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন, তিনি ওই রাজ্যের পুরো ৫৫টি ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট পাবেন। যদি তিনি ওই রাজ্যের ৫১ শতাংশ ভোটও পান, তবুও তিনি ৫৫টি ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট পাবেন। যে দলের প্রার্থী কমপক্ষে ইলেক্টোরাল কলেজ ২৭০টি ভোট পাবেন, তবে সেই দল থেকেই প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন। তারপরে ইলেক্টোরাল কলেজের নির্বাচকরা তাদের নিজ নিজ রাজ্যের রাজধানীতে ১২ ডিসেম্বরের পরে প্রথম সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের ভোট দেন। ভোট দান শেষ হলে প্রত্যেক অঙ্গরাজ্যের ভোট বাক্স সীল করে রাজধানী ওয়াশিংটনে পাঠান হয়। সেখানে সিনেটের সভাপতি কংগ্রেসের উভয় কক্ষের সদস্যদের সামনে ভোট নির্বাচন পদ্ধতি গণনা ও ফলাফল প্রকাশ করেন। কংগ্রেস তারপরে জানুয়ারীর গোড়ার দিকে ফলাফলকে শংসিত করে এবং বিংশতম সংশোধনী পাস হওয়ার পরে ২০ শে জানুয়ারির তারিখ রাষ্ট্রপতি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
৫. সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে: কোন প্রার্থীই সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে, সর্বোচ্চ ভোট প্রাপ্ত প্রথম তিনজন প্রার্থীর মধ্য থেকে একজনকে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি সভার সদস্যগণ গোপন ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করেন। এসময় প্রতিনিধি সভায় প্রত্যেক অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধিগণ সম্মিলিতভাবে মাত্র একটি ভোট দিতে পারেন এবং এক্ষেত্রে কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ অঙ্গরাজ্যের অংশগ্রহণ অপরিহার্য। তিনজন প্রার্থীর মধ্যে যিনি প্রতিনিধি সভার সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের ভোট পান তিনিই রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। রাষ্ট্রপতি এবং উপরাষ্ট্রপতি একই অঙ্গরাজ্য থেকে নির্বাচিত হতে পারেন না।
৬. রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে: নির্দিষ্ট কার্যকাল অতিক্রান্ত হওয়ার আগে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে, উপরাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতির পদে উন্নীত হন। এইভাবে কেনেডি নিহত হওয়ায় উপরাষ্ট্রপতি জনসন এবং নিক্সন পদত্যাগ করায় উপরাষ্ট্রপতি জেরাল্ড ফোর্ড রাষ্ট্রপতির পদে অভিষিক্ত হয়েছেন। আগে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময় সবাধিক ভোট প্রাপ্ত প্রার্থী রাষ্ট্রপতি এবং দ্বিতীয় স্থানাধিকারী প্রার্থী উপরাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হতেন। কিন্তু দু’জন প্রার্থীর মধ্যে ভোট সমান ভাগে বিভক্ত হয়ে গেলে অনিশ্চিত ও জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মার্কিন শাসনতন্ত্রের ইতিহাসে এইরকম পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে দুবার। একবার ১৮০০ সালে জেফারসন ও বারের মধ্যে এবং আরেকবার ১৮২৪ সালে জ্যাকসন ও জন কুইন্সি অ্যাডামসের মধ্যে। এই রকম পরিস্থিতির উদ্ভব রোধ করার জন্য সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী আনা হয় এবং রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য দুটি ব্যালটপত্র ব্যবহার করা হয়।
No comments:
Post a Comment